বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ড. মোহাম্মদ সাদিক

     ড. মোহাম্মদ সাদিক ১৯৫৫ সালে সুনামগঞ্জ জেলার ধাড়ারগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৬ সালের ২ মে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি  গত ৩ নভেম্বর ২০১৪ থেকে এ কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 

     বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ১৯৭৬ সালে বি.এ.[সম্মান] এবং ১৯৭৭ সালে এম.এ. ড. মোহাম্মদ সাদিক যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৪-৯৫ সালে ‘পারসোনাল ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে পড়াশুনা করেন এবং পরে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ‘সিলেটি নাগরী লিপির’ ওপর তাঁর গবেষণার জন্যে ২০০৫ সালে ভারতের আসাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

     সিভিল সার্ভিসে বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ড. সাদিক সরকারের শিক্ষা সচিব ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব এ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড ম্যানেজমেন্ট [বিয়াম] ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নজরুল ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভিন্ন ভিন্ন পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সুইডেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব এবং কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

     ড. সাদিক বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জীবন-সদস্য। তিনি জাতীয় কবিতা পরিষদ ও বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

 

     মরহুম আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ মবশ্বির আলী এবং মরহুমা মাসতুরা বেগমের একমাত্র পুত্র ড. মোহাম্মদ সাদিক বিবাহিত এবং তাঁর সহধর্মিনী বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের একজন সিনিয়র সদস্য। পুত্র মোহাম্মদ কাজিম ইবনে সাদিক এবং কন্যা মাসতুরা তাসনিম সুরমাকে নিয়ে তাঁর সংসার।

 

     ড. সাদিকের উল্লেখযোগ্য প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে ‘আগুনে রেখেছি হাত’[১৯৮৫], ‘ত্রিকালের স্বরলিপি’ [১৯৮৭], ‘বিনিদ্র বল্লম হাতে সমুদ্রের শব্দ শুনি’[১৯৯১], ‘কে লইব খবর’[২০১০], ‘নির্বাচিত কবিতা’ [২০০৫], ‘শফাত শাহের লাঠি’ [২০১৭], ‘কবি রাধারমণ দত্ত: সহজিয়ার জটিল জ্যামিতি’ [২০১৭] ইত্যাদি। তিনি নাইজেরিয়ার বিখ্যাত ঔপন্যাসিক চিনুয়া এচিবি-র বিখ্যাত উপন্যাস ‘No Longer at Ease (1960)’  বাংলায় অনুবাদ করেন ‘নেই আর নীলাকাশ’ নামে এ অনুবাদ উপন্যাসচি ঐতিহ্য থেকে এবং তাঁর পি.এইচ.ডি গবেষণা অভিসন্দর্ভ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে।

 

     ড. সাদিক যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ডেনমার্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভূটান, স্পেন, ইটালি, সুইজারল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।


Share with :

Facebook Facebook