বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ মার্চ ২০১৭

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনে 'আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ' অনুষ্ঠানের আয়োজন


প্রকাশন তারিখ : 2017-02-21

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সোমবার বিকেল ৩ টায় বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের হলরুমে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি-২০১৭ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একটি 'আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ' অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট কবি ড. মোহাম্মদ সাদিক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সরকারী কর্ম কমিশনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের সচিব আকতারী মমতাজ উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের উপর নির্মিত ২০ মিনিটের একটি প্রামাণ্য চলচ্চিএ প্রদর্শন করা হয়। এরপর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে অংশগ্রহণকারী সবাইকে কালো ব্যাজ পরিয়ে দেয়া হয়

অনুষ্ঠানে অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি কে নিয়ে গান ও কবিতা পাঠ করা হয়। কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার তাৎপর্য তুলে ধরে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট কবি ও কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ভাষা আন্দোলনে বাঙালি নারীদের অবদান অনেক। জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের ভাষার জন্য আন্দোলন করেছি। বর্তমানে বিলীন হতে যাওয়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। একইভাবে আমাদের আঞ্চলিক ভাষাগুলোকে সংরক্ষণ করতে হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

কমিশনের সচিব আকতারী মমতাজ তার সমাপনি বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা আমাদের ৬৬ এর ছয় দফা দাবি এবং ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিল যার প্রেক্ষিতে আমার আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। ভাষার তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতির লড়াই এখনও চলছে। সংস্কৃতির উপর আমাদের আঘাত আসছে। সমাজে এখনও সাম্প্রদায়িকতা বিষফণা তুলছে। কাজেই আমাদের ভাষার যেমন সম্মান রাখতে হবে তেমন আমাদের ঐতিহ্যের লালন করতে হবে


Share with :
Facebook Facebook